free web maker

National & International

রানওয়ে থেকে বিমান নদীতে

ভাগ্যক্রমে রক্ষা পেলেন বোয়িং ৭৩৭-এর আরোহীরা। শুক্রবার রাতে অবতরণের পর রানওয়ে থেকে পিছলে বিমান গিয়ে পড়ে নদীতে। তবে আশ্চর্যজনক ভাবে প্রাণে বেঁচে যান বিমানের যাত্রী ও কর্মী-সহ মোট ১৪০ জন। আমেরিকার ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিল বিমানবন্দরে এই ঘটনা ঘটেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মায়ামি ইন্টারন্যাশনাল সংস্থার বিমানটি কিউবার গুয়ান্তানামো বে-র নৌসেনা ঘাঁটি থেকে ফ্লোরিডার দিকে রওনা দিয়েছিল বোয়িং ৭৩৭-৮০০। তাতে ১৩৬ জন যাত্রী ছিলেন।স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৪০ নাগাদ সেটি ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিলের কাছে নৌসেনা ঘাঁটির বিমানবন্দরে অবতরণ করে। কিন্তু সেই সময়ই তা রানওয়েতে পিছলে যায়। চেষ্টা করেও বিমান নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি পাইলট । এর পর বিমানটি গিয়ে পড়ে পাশের সেন্ট জনস নদীতে। জ্যাকসনভিলের মেয়র জানিয়েছেন, বিমানের সমস্ত আরোহীই অক্ষত রয়েছেন। আপাতত ওই বিমানের জ্বালানি যাতে নদীতে মিশে নদীর জল দূষিত না করে, সে চেষ্টা করা হচ্ছে।

রক্তের সংকট মেটাতে জন্মদিনে রক্তদান শিবিরের উদ্যোগ নিলো উদয়পুর প্রেস ক্লাবের
কার্যকরী কমিটির সদস্য জয়দীপ পোদ্দার 

কার্যকরী কমিটির সদস্য জয়দীপ পোদ্দার । বুধবার এই মহতী উদ্যোগে সহয়োগিতায় ছিলো উদয়পুর প্রেস ক্লাবের সদস্যরা। উদয়পুর রামকৃষ্ণ আশ্রম প্রাঙ্গনে এদিন রক্তদান শিবিরের উদ্ভোধন করেন পর্যটন পরিবহন ও কৃষি দফতরের মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়। উপস্থিত ছিলেন উদয়পুর পুর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার ও মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান বর্ণালী গোস্বামী । তাছাড়া উপস্থিত ছিলেন 21 বি এন মেজর ব্রিজেস তোমর, বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠের সম্পাদক বিমল চক্রবর্তী , আর পি জামাতিয়া প্রমুখ।
এই অনুস্ঠানে স্বাগত ভাষন রাখেন উদ্যোক্তা জয়দীপ পোদ্দার । উদ্ভোধনী সংগীত পরিবেশন করেন নবনীতা সাহা। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান বর্ণালী গোস্বামী বলেন রাজ্যে রক্তের সংকট ঘোচাতে এ ধরনের শিবির বেশি বেশি করে করা প্রয়োজন। উদ্ভোধক তথা মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, রাজ্যে নির্বাচনী মুহূর্তে রক্তের কিছুটা সংকট রয়েছে । এ সংকট মেটাতে ক্লাব এনজিও দের এগিয়ে আসা উচিৎ।
রক্ত দান মহৎ দান। এই ভাবধারাকে সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন নির্বাচনী সময়ে রক্তদান শিবিরের আয়োজন অনেকটা কম সংঘটিত হয়। ফলে রক্তের একটা ঘাটতি দেখা দেয়। আর এই ঘাটতি মেটাতে জন্মদিনে রক্তদানের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। উদয়পুর ব্লাড ব্যাংকের ইনচার্জ সুজিত রায় শিবিরে রক্তদান বিষয়ে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারনা এবং স্বেছায় রক্ত দান বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। রক্তদান শিবিরকে কেন্দ্র করে উৎসাহ ছিলো লক্ষ্যনীয়। এদিনের শিবিরে পুরপরিষদের জনপ্রতিনিধি মানসী চক্রবর্তী স্বেছায় রক্তদান করে সকলকে উৎসাহিত করেন। তাছাড়া নারী সমাজসেবী শুক্লা দেব সরকার এবং আসাম রাইফেলের জওয়ানরাও রক্তদান করেন ।

রাজ্যভাগের ইস্যু হিম ঘরে
ভোটের পর রাজ্য রাজনীতিরসমীকরন পাল্টাচ্ছে

 ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন,রিপোর্
 
লোকসভা ভোটের ময়দানে যে চিত্র তা থেকে রাজ্য রাজনীতিতে বিরোধীদের মধ্যে
অঘোষিত জোটের সম্ভাবনার সুর শোনা যাচ্ছ। যদিও নীতিগত ভাবে বামেরা কংগ্রেস আইপিএফটি থেকে সম দূরত্ব রেখে চলবে। কিন্তু কংগ্রেস আইপিএফটি একে অপরের কাছে আসতে কোন সমস্যা থাকার কথা নয়। তবে হ্যাঁ প্রদ্যোত কিশোররাও তিপ্রা ল্যান্ড ইস্যু উহ্য রাখলে পরেই এনসিদের জন্য রাস্তা খুলে দিতে পারেন। এখনই এমন কোন সম্ভাবনা নেই। তবে বিজেপির সঙ্গে তিক্ততার ফলে আগামী দিনে রাজ্যে অন্তত কংগ্রেস শক্ত হলে এনসি গোষ্ঠী পাল্টি খেতেই পারে। তাই সম্পর্কের ফাটলের জেরে লোকসভার পর রাজ্যের দুটি আসন দখল করে কেন্দ্রে বিজেপি যদি সরকার গড়তে পারে তবে খেলাটা হবে অন্যরকম। তাহলে আইপিএফটি কে রাজ্য ভাগের দাবী প্রকাশ্যে ঝেড়ে টাইট দিয়ে তারপরই জোটের সম্পর্ক হয়তো এগিয়ে নিয়ে যাবেন বিপ্লব দেবরা।
এতে কোন বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই । নীতিগত ভাবে বিজেপি দল রাজ্যভাগ নিয়ে যে কোন আপোষ করবে না তাও পাকাপাকিভাবে রাজ্যবাসীর কাছেও স্পষ্ট হয়ে যাবে। রাজ্য রাজনীতির পরিমন্ডল বিজেপির জন্য অনেকটাই মসৃন হবে । এতে দলের গ্রহনযোগ্যতাও বাড়বে সমতলে। এখন সামনে রাজ্য ভাগের ইস্যু জিইয়ে রাখতে চাইলে এনসি-মেবারদের একলা চলো নীতি নিয়েই লড়াই করতে হবে ময়দানে। ফলে তারা যে পথেই হাঁটুক না কেন, এনসিদের সংকট বাড়বে। বিজেপিতে সরকারে থেকে আগামী দিনে অন্তত তিপ্রা ল্যান্ডের এজেন্ডা তুলুক এনসিরা সেই সুযোগ আর দিচ্ছেনা রাজ্য বিজেপি এটা পরিষ্কার। ১৮ লোকসভা ভোটে ১-১ থিওরিতে বিজেপি আসন রফা করেনি। ফলে বিজেপিকে বন্ধুত্বপূর্ন লড়াইয়ের নামে আসলে এনসিরা লোকসভা ভোটে যে বেগ দেওয়ার কৌশল নিয়েছে এটা বিজেপির কাছে স্পষ্ট ।
যদিও এনসিদের কাছে পাহাড়ে মুখ দেখাতে বিকল্প পথও খোলা ছিলো না। আর বিজেপিও এমপি সিট শেয়ার করে পাহাড়ে দলের ভীত গোড়ায় দুর্বল হোক এই ভুল করেনি। এখন রাজ্যে কংগ্রেসের মাটি শক্ত হলে দুর্বল হবে বামেরা। প্রদ্যোতের নেতৃত্বে পাহাড়ে যদি কংগ্রেস শক্ত সবল হয় তাহলে বাম এমনকি আইপিএফটিও দুর্বল হবে সেখানে । রাজ্য ভাগের ফনা নেতিয়ে গিয়ে এখন পাহাড় ঝুঁকতে পারে বিজেপি আর কংগ্রেসে।এদিকে দীর্ঘ সময় ক্ষমতার স্বাদ চটে অভ্যস্ত সিপিএম ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দলীয় সংগঠনে এখন ঝিমুনি ভাব। শাখা সংগঠন বাতি দিয়ে খুঁজে পাওয়া যাচেছনা। সরকারি চাকুরীজীবিরা রাতারাতি লড়াই ভুলে রাম নাম জপ করছে এখন। লড়াইয়ের জায়গা থেকে ক্রমস পিছিয়ে পড়ছে বামেরা।এখন স্বাভাবিক ভাবেই রাজ্যে প্রধান বিরোধী হিসেবে ওঠে আসার সম্ভাবনা কংগ্রেসের। যেহেতু কংগ্রেসের রাজ্য রাজনীতিতে হারানোর কিছু নেই ।  

কৃষকরা হলো ভারতবর্ষের আত্মা: মুখ্যমন্ত্রী

উদয়পুর প্রতিনিধি : কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে রাজর্ষি কলাক্ষেত্রে অনুষ্ঠিত হয় জেলা ভিত্তিক আত্মা মেলা ও প্রদর্শনী। এদিন, প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়। তাছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক বিপ্লব কুমার ঘোষ, রামপদ জমাতিয়া, রঞ্জিৎ দাস, বুর্বো মোহন ত্রিপুরা ও এম ডি সি জয় কিশোর
মাতিয়া। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ রাখেন কৃষি দপ্তরের অধিকর্তা ডঃ ডি পি সরকার।সভাপতিত্ব করেন উদয়পুর সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান পদ্ম মোহন জমাতিয়া। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ভারতবর্ষ কৃষি প্রধান দেশ। আর কৃষকরা হলো এদেশের আত্মা। ভিশন ডকুমেন্টস অনুযায়ী রাজ্যের জনজাতিদের উন্নয়নে একের পর এক জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। তাছাড়া, বুধবার কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধান সংশোধন করে জনজাতিদের উন্নয়নে এডিসির কাছে সরাসরি অর্থ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে । রাজ্যে আলাদা করে অর্থ কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিগত সরকার পঁচিশ বছরে মাত্র চারটি একলব্য স্কুলের স্থাপনা ছিলো।
আর নতুন সরকার মাত্র এগারো মাসে রাজ্যে আঠারোটি একলব্য স্কুল স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে । ইতিমধ্যে দশটি মঞ্জুরও হয়ে গেছে। তাছাড়া বর্তমান সরকার রাজ্যের কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এফ সি আইর মাধ্যমে সরাসরি সাত হাজার দুশো মেট্রিক টন ধান ক্রয় করেছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাস অব্দি ধারাবাহিকভাবে তা চলবে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৃষক সহ সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এদিন আগত কৃষকদের মধ্যে সয়েল হেলথ কার্ড তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রী সহ উপস্থিত অতিথিরা । কৃষি মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় বলেন, এ ধরনের মেলা আগামীদিনে প্রতিটি জেলায় আয়োজন করা হবে । তাছাড়া কৃষকদের স্বার্থে রাজ্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন সহ নানা সরকারী সুযোগ সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। 

SHARE THIS PAGE!