free website maker

মহাশূন্যে বিহু নাচ নাসা-র নভশ্চরের ! অসমের জামাইয়ের এই কীর্তি ভিডিওবন্দি

মাহাশূন্যে ভেসে বেড়িয়ে নাচতে কেমন লাগবে, তা নিয়ে অনেকের মনেই কৌতূহল রয়েছে। আর সেই নাচ যদি হয় অসমের বিহু নাচ! পৃথিবীর বুকে বসে এমন সমস্ত কল্পনা যদি করে থাকেন, তাহলে জেনে রাখুন, এই কল্পনা আপাতত সত্যি করে
পেশাগত পরিচয় বলছে তিনি নাসার নভশ্চক,আর তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় বলছে , তিনি অসমের জামাই!আর সেই অসমের সঙ্গে গাঁটছড়া বেধে ফেলার সূত্র ধরেই মহাকাশে হাত পা, ছুড়ে রীতিমত বিহু নাচ নেচে ফেললেন মাইক। অসমের রোঙ্গালি বিহুর তালে কার্যত মাতিয়ে দিলেন মাইক।

ক্রায়ো-ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ: ভাইরাস চেনার ‘গুগল আর্থ’ ও নোবেল পুরস্কার

ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল’…. আর এই ‘ঠান্ডা’ মন্ত্রেই চাক্ষুষ দেখা যেতে পারে জিকা, ইবোলা, ডেঙ্গি, এইডস, এমনকি ক্যান্সার বা আলঝাইমার্সের মতো ভয়ানক শত্রুদের! তাত্ত্বিক অর্থে এই ‘ঠান্ডা’ পদ্ধতিতে বিভিন্ন জৈব অণু যেমন প্রোটিন, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক বা 3D গঠন দেখার প্রযুক্তি আবিষ্কার করে ২০১৭ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান রিচার্ড হেন্ডারসন, জ্যাক দুবোসে ও জোয়াকিম ফ্রাঙ্ক। প্রচলিত ট্রান্সমিশন ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপির সাথে গুরুত্বপূর্ণ এক ‘কুলিং স্টেজ’ যুক্ত করে ছবি তোলার এক নতুন পদ্ধতির সূত্রপাত হয় ক্রায়ো-ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ (ক্রায়ো-ইএম)-এর মাধ্যমে।
বায়োকেমিস্ট্রির গবেষণা হয়ে ওঠে সহজতর। জীবদেহের ভিতরের জটিল থেকে জটিলতর জৈব অণুগুলির পরমাণু স্তরের ত্রিমাত্রিক ছবি, তাদের গঠন কাঠামো, মানবদেহে তাদের চলাচল (ডায়নামিক্স) ও আচার-আচরণ স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর ভাবে দেখা সম্ভব হয়েছে এই ‘ক্রায়ো-ইএম’ এর মাধ্যমে।১ এতদিন এক্স-রে ক্রিস্টালোগ্রাফি, নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেসোনেন্স (NMR) স্পেকট্রোস্কোপি কিম্বা ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ দিয়ে অনেক অণুর গঠন নির্ভুল ভাবে নির্ণয় করা যেত না। সেই কাজটা খুব সহজ করে তুলেছে ‘ক্রায়ো-ইএম’। এর মাধ্যমেই সুচারু ভাবে সম্ভব হবে মানব দেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া কিংবা ক্যান্সারের টার্গেট প্রোটিন গুলিকে পর্যবেক্ষণ করা ও তাদের প্রয়োজনীয় প্রতিষেধক ঔষধ আবিষ্কার।